দুর্গাপুরে ডিএভি মডেল স্কুলের পড়ুয়াদের উদ্যোগে প্রকাশিত ‘দ্য সোশ্যাল মেট্রিক’, সমাজকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার বার্তা


 দুর্গাপুর: পড়াশোনার গণ্ডি পেরিয়ে সমাজকে কাছ থেকে দেখা এবং সেই অভিজ্ঞতাকে লেখার মাধ্যমে তুলে ধরার উদ্যোগ নিল ডিএভি মডেল স্কুল, দুর্গাপুরের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রকাশিত হল ডিজিটাল সংবাদপত্র ‘দ্য সোশ্যাল মেট্রিক’। বিদ্যালয়ের পাঠাগারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রকাশনা যাত্রার সূচনা হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপমণ্ডলীয় তথ্য ও সাংস্কৃতিক আধিকারিক সায়নবিতা মাইতি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, বর্ধমানের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. রাহুল সিং। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা, পড়ুয়া এবং অভিভাবকেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের স্বাগত জানাতে তাঁদের হাতে চারা গাছ তুলে দেন বিদ্যালয়ের প্রধান সহ আঞ্চলিক আধিকারিক, ডিএভি পশ্চিমবঙ্গের পাপিয়া মুখার্জি। এরপর প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।


বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘দ্য সোশ্যাল মেট্রিক’ প্রকাশের মূল লক্ষ্য হল পড়ুয়াদের লেখা প্রতিবেদন এবং সমাজবিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় পাঠকদের সামনে তুলে ধরা। তাঁদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন দিককে বিশ্লেষণ করার পাশাপাশি চারপাশের সামাজিক পরিবেশকে নতুনভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি করাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।


অন্তিকা শ্যামলের পরিচালনায় এবং প্রধান সম্পাদক অঙ্গনা মুখার্জির সম্পাদনায় প্রকাশিত এই ডিজিটাল সংবাদপত্রে বিভিন্ন লেখা ও প্রতিবেদনের পাশাপাশি কার্টুন এবং ক্রসওয়ার্ডের মতো বিষয়ও রাখা হয়েছে। প্রতিটি বিষয়কে সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে।


প্রধান অতিথি সায়নবিতা মাইতি পড়ুয়াদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে সমাজকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ করে দেয়।


ড. রাহুল সিংও এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, পরিবর্তনশীল সামাজিক পরিবেশকে বোঝার ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের এমন সৃজনশীল কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। অন্যদিকে পাপিয়া মুখার্জি শিক্ষার্থীদের এই ধরনের উদ্যোগকে দক্ষতা বিকাশ এবং ভবিষ্যতে কলা ও বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি করার মাধ্যম হিসেবে দেখার পরামর্শ দেন।


বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আশা, ‘দ্য সোশ্যাল মেট্রিক’-এর এই পথচলা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে পড়ুয়াদের মধ্যে সমাজ সম্পর্কে জানার আগ্রহ, বিশ্লেষণী দৃষ্টিভঙ্গি এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে।

Written By

Author

রিপাবলিকান মিরর (Republican Mirror) একটি শীর্ষস্থানীয় আধুনিক জনপ্রিয় নিউজ প্ল্যাটফর্ম।

Sponsored
Insert AdSense HTML Here

আরো খবর