পুলিশের বরাত অনুযায়ী জানা গেছে, অভিষেক হোস্টেলের একটি কক্ষে আরেকজন সহপাঠীর সঙ্গে থাকতেন। শুক্রবার দুপুরে সেই সহপাঠী নামাজ পড়তে বাইরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দরজায় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় তিনি হোস্টেল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান, এবং কাঁকসা থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে অভিষেককে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। কলেজ কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে পরিবারকে খবর দিয়েছে এবং অভিষেকের বাবা-মা দুর্গাপুরের উদ্দেশে
রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতালের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার শুভঙ্কর ভট্টাচার্য জানান, ঘটনার দিন সহপাঠী নামাজের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন এবং ফেরার পর সাড়া না পাওয়াতেই বিষয়টি নজরে আসে। সামনেই পরীক্ষা থাকলেও এই ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও স্পষ্ট নয় বলে তিনি জানান।
আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার রাসপ্রিত সিং নিশ্চিত করেছেন যে হোস্টেলের কক্ষ থেকে ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে এবং পরিবারকে জানানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও অজানা এবং তদন্ত চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।


